Padma Nadir Majhi (bhasa Classics) /পদ্মা নদীর মাঝি (নব মুদ্রণ)
MANIK BANDHOPADHYAY

5

Add new review

Availability: In stock

Regular Price: ₹150.00

Special Price: ₹120.00

20% off
Check

Please check the Availability Before Add to cart or Buy Now

Product Description

পদ্মা নদীর মাঝি  ঔপন্যাসিক মানিক বন্দোপাধ্যায় রচিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে সর্বাধিক পঠিত, আলোচিত ও একাধিক বিদেশী ভাষায় অনূদিত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। এটি মানিক বন্দোপাধ্যায়ের চতুর্থ উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৩৪ সাল থেকে পূর্বাশা পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে এবং ১৯৩৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।প্রকাশিত হওয়ার পরে ভারতীয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ভাষায় অনূদিত হওয়ার গৌরব লাভ করে এই উপন্যাসটি। ভারতের একাধিক প্রাদেশিক ভাষাসহ ইংরেজি, চেক, হাঙ্গেরিয়ান, রুশ, লিথুয়ানিয়ান, নরওয়েজিয়ান ও সুইডিশ ভাষায় এই উপন্যাসের অনুবাদ প্রকশিত হয়। পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে পদ্মা নদীর মাঝি (চলচ্চিত্র)

Product's Features:

Product SKU: BH9788193257005

Languages: Bengali

Publisher/Brands: Bhasa

ISBN-13: 978-8193257005

Pages: 128

Binding: Paperback

Size: 180x124x14mm

Publishing Year: 2017 (নব মুদ্রণ)

MANIK BANDHOPADHYAY

তাঁর জন্মপত্রিকায় নাম লেখা হয়েছিল অধরচন্দ্র, বাবা নাম রেখেছিলেন প্রবোধকুমার যদিও সে নামে তাঁকে চেনে এমন লোকের সংখ্যা নেই বললেই হয়, অথচ বাংলার আপামর মানুষ এক ডাকে চেনে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে, যে নাম তিনি ব্যবহার করেছিলেন তাঁর প্রথম ছাপা গল্পে নেহাৎই খেয়ালের বশে। বাংলার সাহিত্য জগতে তাঁর আবির্ভাব উল্কার মতো। মাত্র কুড়ি বছর বয়সে বন্ধুদের সঙ্গে তর্কে মেতে তিনদিনের মধ্যে লেখা ‘অতসী মামী’ (১৯২৮) বাংলার পাঠকদের যখন নাড়া দিয়েছিল, তখন বাংলা ছোট গল্পের সম্ভার নেহাৎ ছোট নয় শরৎচন্দ্র মধ্য গগনে, প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে গল্পগুচ্ছের তিন খন্ড তার দুবছর আগে। কাজেই বাংলাসাহিত্যের পাঠককুল রীতিমতো পরিণত।

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু সেই সব সাহিত্যকদের দলে পড়েন না, যাঁরা একঝলক দমকা হাওয়ার মতো সাড়া ফেলে মিলিয়ে যান। ছত্রিশটি উপন্যাস আর একশো সাতাত্তরটি ছোট গল্প তিনি উপহার দিয়েছেন বাঙালি পাঠককে। প্রতিটি উপন্যাস ঝাঁকুনি দিয়ে ভাঙতে চেয়েছে পাঠকদের ভাবনার নিশ্চিন্ত সুখনিদ্রাকে। চিনিয়ে দিয়েছে আমাদের শঠতা এবং দ্বিচারিতাকে।

‘পুতুল নাচের ইতিকথা’,’পদ্মা নদীর মাঝি’,’দিবারাত্রির কাব্য’,’চতুষ্কোণ’ এমনই এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। তাঁর বিশ্বাস স্থিত ছিল মার্ক্সবাদে, ফ্রয়েডীয় দর্শন তাঁকে প্রভাবিত করেছিল ভীষণভাবে, যার ছাপ রয়েছে তাঁর লেখায়। বাংলা সাহিত্যের দুর্ভাগ্য, লক্ষ্মীর প্রসাদ থেকে তিনি ছিলেন বঞ্চিত। তাই অভাব তাঁকে তাড়া করে ফিরেছে জীবনভোর। যিনি শুধু সাহিত্যের জন্য চাকরি ছেড়েছেন অবহেলায় তিনিই অপরিসীম খেদে বলে ওঠেন -‘দেখো, দুটি ডাল-ভাতের সংস্থান না রেখে বাংলাদেশে কেউ যেন সাহিত্য করতে না যায়।’ উল্কার মতোই নিজেকে জ্বালিয়ে খাক করে দিয়ে বাংলা সাহিত্যের আকাশ আলোয় আলোকময় করে তিনি চলে গেলেন অনন্তের সন্ধানে।

সম্পূর্ণ বিনা চিকিৎসায়, নিদারুণ অনটনে, মাত্র আটচল্লিশ বছর বয়েসে শেষ হল তাঁর দিবারাত্রির কাব্য। তাঁর শেষযাত্রায় ফুলের অর্ঘ্যে ভরে গিয়েছিল তাঁর শেষ শয্যা, এক নিষ্ঠুর ঠাট্টার মতো।  তিনিও কি বন্ধুর সঙ্গে গলা মিলিয়ে বলছিলেন তাঁর শেষযাত্রায়-

‘ফুলগুলো সরিয়ে নাও আমার লাগছে।

মালা জমে জমে পাহাড় হয়

ফুল জমতে জমতে পাথর।

পাথরটা সরিয়ে নাও আমার লাগছে।’-সুভাষ মুখোপাধ্যায়

Product Q&A

All Question and Answer 0 item(s)

footer