ভূত দেখতে গেলে আগে ভুতের সম্পর্কে জানতে হয় তার জন্য ভুতের গল্পের বই পড়ে ভূত সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরি হয় মনের মধ্যে ।

ভুতের গল্পের বই পড়তে হয় সাধারণত গভীর রাতে ,তখন আপনার মনের মধ্যে ভূত সম্পর্কে আলাদা অনুভূতি আশে ।

তবে যাদের হার্ট দুর্বল তাদের রাতে ভুতের গল্প না পড়ায় ভালো .

#ভূত দেখার কারণ কী? ????

১) মানুষ চায়, আপনি তাঁকে নিয়ে ভাবুন। তাহলে ভুত কেন চাইবে না, আপনি তাকে নিয়ে ভাবুন! নিজের অস্তিত্বের জানান দিতে কে না চাইবে?

২) ভূতের সময়জ্ঞান অত্যন্ত খারাপ। তাই সে না চাইলেও কখনও কখনও দেখা দিয়ে ফেলে।

৩) আপনি জানেন, সে মরে গিয়েছে। কিন্তু ভূত বলে সে কি আর মানুষ নয়? তারও তো ভুল হতে পারে নাকি? অনেক সময় ভূত নিজেই ভুলে যায় যে, সে মরে গিয়ে ভূত হয়ে গিয়েছে।

৪) মানুষ একা থাকতে পারে না। তাহলে ভূতরাই বা একা থাকতে পারবে কিভাবে? তাই মাঝে মাঝে একাকীত্ব কাটাতে ভূত মানুষকে দেখা দেয়।

৫) ভূতরা খুব সমালোচনা মানে পিএনপিসি করতে পছন্দ করে। তা, মানুষের সঙ্গে না মিশলে তারা ভালো পিএনপিসি করা শিখবে কার কাছে?

৬) ভূতদের গন্ধবিচার করার ক্ষমতা প্রবল। মানুষের গন্ধ পেলেই তাই ভূত আর নিজেকে ধরে রাখতে না পেরে দেখা দিয়ে ফেলে।

৭) আপনার শরীরে এনার্জি যত বেশি, আপনার ভূত দেখার সম্ভবনা তত বেশি। এটা অনেকটা চুম্বকের মতো। আপনার এনার্জিই ভূতকে টেনে আনে।

https://readbengalibooks.com/index.php/shop-by-categories/books.html?cat=4543